সাইট ম্যাপ
গল্প
কবিতা
সূক্তি
- সদয় হতে খরচ নেই, কিন্তু নির্দয়তার দেনা অনেক।
- একটি সম্ভাষণ যেন মানবিক সূর্যোদয়।
- যে অন্যকে বাদ দেয়, সে অন্তে নিজেই বাদ পড়ে।
- “অপরকে” ভাই (বা ভগিনী) করিয়া লও।
- আমরাই পরস্পরের পরম সম্পদ।
- আমরা = সবাই, সর্বত্র.
তারা = দুঃখিত, ওই নামে কাউকে চিনি না।
- একই সূত্রে গাঁথা সকলই।
- ছোট্ট ছেলেটি কখনো পুরুষটিকে ছেড়ে যায় না, ছোট্ট মেয়েটিও নারীটিকে নয়, বয়স যতই বাড়ুক।
- শ্রেষ্ঠ জনহিতৈষণা হলো অনুপ্রেরণা দান।
- অন্যকে উত্ত্যক্ত করাকে ক্রীড়া জ্ঞান করিও না।
- দয়া হলো সেরা সংক্রমণ যা আমরা ছড়িয়ে দিতে পারি।
- অভিবাদন জানালে মানুষ খুশি হবে।
- যেখানেই যাও, সেতু গড়ো।
- এক নিষ্ঠুর লোকের শুভেচ্ছা পত্র বিক্রির চেয়ে হাস্যকর আর কিছু নেই।
- কখনো কখনো তিক্ত বীজ থেকে মিষ্টি ফল জন্মায়।
- ঝড়ের মাঝে এক উষ্ণ ঘর হও।
- প্রেমের অভাবই পরম দারিদ্র্য।
- প্রেমের কাছে নিজেকে সঁপে দাও, প্রতি শ্বাসে, প্রতি চিন্তায়, প্রতি কর্মে, প্রতি কামনায়।
- প্রেমের চেয়ে বড় কোনো আহ্বান নেই, নেই কোনো সার্থকতর পুরস্কার।
- প্রিয়জনের মাঝেই বোধি খুঁজে নাও।
- প্রেমের স্বপ্নের অনুগামী হও।
- অপরের অনুরাগকে স্পর্শ করো, চিরদিনের বন্ধু পাবে।
- একটি দৃঢ় বিবাহ, পালতোলা তরণীর ন্যায়, যার পাল ও তলি উভয়েরই প্রয়োজন।
- অপরিচিতদের প্রতি যেমন স্নেহশীল, পরিবারের প্রতিও তেমন হন।
- ভালোবাসা সকল কিছু নিখুঁত করে তোলে।
- একদিন তারা তোমার হাত ধরা ছেড়ে দেবে। সেদিন হবে তোমার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের দিনগুলোর একটি। কিন্তু তারা কখনো তোমাকে জড়িয়ে ধরা ছাড়বে না!
- বৃক্ষকে যখন স্পর্শ করো, তখন মহাবিশ্বের মূলেই হাত রাখো।
- মানবতারূপী বৃক্ষের কাণ্ড একটি, শাখা বিচিত্র, আর পাতা শতকোটি।
- এক বীজে অরণ্য হয়।
- যখন আপনি গাছ কাটেন, আপনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অঙ্গচ্ছেদ করেন।
- বাবা কোটোর (ইন্ড্রি লেমুর) ভালোবাসার ডাকটি শিখুন: পুহ্ আহ্, পুহ্ আহ্, পুহ্ আহ্।
- আমরা কিচিরমিচির পাখি।
- সকল প্রাণীই সন্তানের প্রতি মায়ের ভালোবাসা বহন করে।
- আপেলটি বৃক্ষ হইতে বিচ্ছিন্ন, তথাপি যে বৃক্ষ হইতে সে ঝরিয়া পড়ে, তাহারই এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
- গাঙচিল ও পালতোলা নৌকা সর্বদা হাওয়ার মুখেই থাকে।
- সব ফুলই প্রথমে বুনো হয়ে ফুটেছিল।
- কখনো কখনো গাছেরা এত কাছাকাছি বেড়ে ওঠে যে তারা এক হয়ে যায়।
- থেমে শুনলে বোঝা যায়, কুড়ি সেকেন্ডও কত দীর্ঘ।
- পদ্মের পাশ দিয়ে তাড়াহুড়ো করে যেও না।
- চতুষ্পার্শ্বের জগতের নিঃশ্বাসে নিজেকে নিমগ্ন করো।
স্থির হও।
- দেখা এবং দৃষ্ট হওয়া, আদানপ্রদানের শ্রেষ্ঠ উপহার।
- নীরবতা শুনতে শেখো।
- প্রতি মুহূর্তে এক অনন্তকাল যাপনের সাধনা করো।
- মনকে নমনীয় রাখতে, দেহকে সাবলীল রাখো।
- বৃষ্টিধারা ধরতে পাত্র পেতে দাও।
- প্রজ্ঞা মানেই উপলব্ধির ভার।
- বাঁশকে নুইবার জন্য কিছু স্থান ছাড়িতে হয়।
- ধাওয়া করার কিছুই নাই।
সকলই তো এইখানে।
- গোপনীয়তা রক্ষার শ্রেষ্ঠ উপায় হলো, কাউকে তার ভার না দেওয়া।
- নীরব থাকো। কথা বলা কোনো ইন্দ্রিয় নয়।
- সূর্য অস্ত গেলে, আত্মার জাগরণ হয়।
- ঈশ্বর কথা বলেন সূর্যাস্ত ও ভোরের আলোয়। আপনি তাঁকে সবসময় সেখানেই খুঁজে পাবেন।
- পরিসর যতই
ছোট হোক না কেন
বা সময় যতই স্বল্প,
খুঁজে নাও অনন্তকে
তারই মাঝে।
- হয়তো পরের শ্বাসেই উত্তর।
- পুকুরপানে চেয়ে থাকার সময়।
- কখনো কখনো কিছুই না করাও কিছু করা।
- জলে নামলে, দুশ্চিন্তা ধুয়ে যায়।
- কর্ম ও সত্তার সমন্বয়েই জীবন পূর্ণতা পায়।
- মন ও অহং যখন শান্ত, কেবল তখনই আত্মার প্রকাশ ঘটে।
- এমন এক পৃথিবীর কথা ভাবুন, যেখানে পর্বত আছে, কিন্তু উপত্যকা নেই, মরুভূমি আছে, কিন্তু মহাসাগর নেই।
- বিচার নেই, আছে কেবল অস্তিত্ব।
- প্রতি মুহূর্তে তুমি যা ভাবো, তুমি তা-ই হয়ে ওঠো।
- আমরাই পেয়ালার জল, আমরাই তা ঢালি।
- অযথা জটিল করার প্রলোভন সামলাও।
- সৎকর্মের মতো পাপও আমাদের গড়ে তোলে।
- শ্বাসে ধৈর্য টেনে নাও। তার গুঞ্জন তোমাকে প্রশান্ত করুক।
- প্রতিটি বালিয়াড়ি বালিতে ভরা। প্রতিটি কোষ কৃতজ্ঞতায় ভরে উঠুক।
- সংশয়ে পড়লে, চেষ্টা করার চেষ্টা করো।
- এই ঝড়ের পারে, এক অনন্ত সূর্য ও চিরনীল আকাশ বিরাজমান।
- নেতিবাদ এক আগাছা; উপড়ে ফেলো, পুঁতো না কখনো।
- আর কখনও প্রতিযোগিতা নয়…
কেবলই আলিঙ্গন…
কী অপার আনন্দ!
- যথেষ্ট দ্রুত দৌড়ালে, ঝরা তুষারকণাও ধরা যায়!
- অস্তিত্বহীন বাধা দেখিও না।
- মুক্ত হতে সংকল্প করো।
- কেবল স্বপ্ন দেখাই নয়,
স্বপ্নকে সাকার করার সাহসও রাখো।
- তোমার যা কিছু আছে, তা দিয়ে যা কিছু পারো, এখনই করো, এখনই, এখনই।
- এক দেবদূত উড়তে পারে, সে যতই ভগ্ন হোক না কেন।
- সাহস নাও প্রশ্বাসে। ভয় ছাড়ো নিঃশ্বাসে।
- সমস্যা হলো এই
যে কোনো লড়াইয়ে
নামলে
নিজেকেও মার
খেতে হয়।
- কাল্পনিক পরিস্থিতিকে মন জুড়ে থাকতে দেবেন না; এক উজ্জ্বলতর ভবিষ্যৎ কল্পনা করুন।
- এ জগতে এখনো কবি আছেন।
- এখন না হলে, কখন?
পরের জন্মে?
- এই পৃথিবীর জন্য চমৎকার কিছু রেখে যেয়ো।
- সর্বদা জোয়া দে ভিভ্র-এর দিকেই ঝুঁকুন।
- আমরা আপন সৃষ্টির চিরকালীন জনক-জননী।
- আমাদের পরীক্ষা কখনোই শেষ হয় না। কেবল রূপ বদলায়।
- একটি আলিঙ্গনের গুরুত্বকে কখনো তুচ্ছ করবেন না।
- বেলা করে ঘুমিয়ে চরিত্র গড়ে ওঠে না।
- আন্তরিক চেষ্টা করলে কখনো অনুতাপ হবে না।
- বৃষ্টিতে দাঁড়াতে পারলে বনে লুকিয়ো না।
- আমরা এমন এক ভবিষ্যতের অংশ, যা উন্মেষ পেতে চাইছে। আমরা নিজেদের বাইরে পা রাখতে পারলে, সেই ভবিষ্যৎ আমাদের ভেতরে বয়ে যেতে পারে।
- ভ্রমণ দেয় ও নেয় অনেক।
- ভ্রমণ আমাদের শেখায় যে ভয়ের কারণ সামান্যই।
- আপন আত্মার অন্তর্নিহিত সদ্গুণই পরম সম্পদ।
- হাসির সম্ভারে গড়ো আপন ধন।
- কোন কাজটিকে তুমি সবচেয়ে বেশি ভয় পাও, তবু সবচেয়ে বেশি করতে চাও? সেটিই তোমার আহ্বান।
- আপেল গাছে কমলা ফলে না।
- তুমি যা, তা হয়ে ওঠাকে কেউ রুখতে পারে না।
- বিদেশ যাত্রা হলো আত্ম-অভিমুখে এক ভ্রমণ।
- কিছু স্বপ্ন তোমাকে কারারুদ্ধ করে। অন্যগুলো তোমাকে মুক্তি দেয়।
- বীজগুলি পাহাড়ে বহন করে নিয়ে যাও। এটি তোমার কর্তব্য, কিন্তু ভাবনাগুলিকে গড়িয়ে নিচে নামতে দাও।
- নদী সর্বদাই জানে কোন পথে বহিতে হয়।
- বিনা বাতাসে নাবিক কখনও পাল চালাতে শেখে না।
- তত্ত্ব আর কর্মের মাঝে এক মহাসাগর।
- কখনো কখনো সত্য খুঁজে পেতে তোমাকে পাহাড়ে যেতে হয়।
- নদী দুটির মিলতে কত সময় লেগেছে তা মুখ্য নয়, তারা যে মিলেছে সেটাই মুখ্য।
- যত দূরেই হোক, হেঁটে স্কুলে যাও।
- কর্মই আমাদের সবচেয়ে বাঙ্ময় কথা।
- মরুভূমিতে সবকিছু শুধু আছে।