হ্রদের ধারের বাড়ি
একটি আধুনিক উপকথা

“আমি আর পারছি না,” বলল ফ্রান্সিস, হাঁটু গেড়ে মেঝেতে বসে পড়তে পড়তে।
পরিবারটি একটি সুন্দর ছুটি কাটাতে বাইরে গিয়েছিল, কিন্তু ফ্রান্সিসকে একটি বড় প্রতিবেদন পর্যালোচনা করতে হচ্ছিল। জোসেফের কাজ সবসময় সম্পাদনার দরকার হতো, সবসময় নতুন করে লেখার দরকার হতো। ফ্রান্সিসের মনে হচ্ছিল সে অফিসের সবার কাজ একাই করছে, আর আসলেই সে তা-ই করছিল।
বুকের গভীর থেকে সে একটা কাশি দিল, দুই হাত মেঝেতে চেপে রেখে।
বিছানায় তার স্বামী নড়েচড়ে উঠল। ফ্রান্সিসের কাশিতে তার ঘুম ভেঙে গিয়েছিল।
“রাত তিনটা বাজে,” সে বিড়বিড় করল। “তুমি ঠিক আছ?”
ফ্রান্সিসের মুখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছিল।
“হ্যাঁ, সোনা, ঘুমিয়ে পড়ো।”
আবার বুকের কাশি। আরও অশ্রু গড়িয়ে পড়ল।
“মনে আছে তো, আজ আমাদের নৌকাভ্রমণ আছে,” পাশ ফিরতে ফিরতে সে বলল।
নৌকাভ্রমণ?
ফ্রান্সিস একদম ভুলে গিয়েছিল।
“আমাকে নৌকা থেকে দূরে থাকতে হবে,” সে ভাবল, “যাতে ওদের অসুখ না ধরিয়ে দিই।”
প্রতিবেদন পর্যালোচনার জন্য আরও সময়।
তার মুখে একটা হাসি খেলে গেল।
পেম্বা উমোজার একটি গল্প