ক্যাপ্টেন ডাস্টিজ
একটি আইসক্রিম কোন, একটি মঞ্চ, একটি ব্রাভো

আইসক্রিমের দোকানটার বাইরে কঠিন মুখে দাঁড়িয়ে খদ্দেরের সারি।
এমনকি ফুটবল জার্সি পরা বাচ্চাগুলোর মুখও গম্ভীর। হয়তো ওরা হেরে গেছে।
ঢেউ খেলানো জলের ঠিক আগে পাথরের দেওয়ালে দাঁড়িয়ে একটা গাঙচিল সব দেখছিল।
দোকানের মেয়েটির বয়স মেরেকেটে ষোলো, গায়ে একটা মিউজিক্যাল থিয়েটারের টি-শার্ট।
“আমি কি আপনাকে সাহায্য করতে পারি?” সে খদ্দেরকে জিজ্ঞেস করল।
ভদ্রলোক তার দিকে তাকিয়ে রইলেন, তারপর এক ভাঙা, বেসুরো টেনরে গাইতে শুরু করলেন।
“আমি রামধনু রঙের স্প্রিঙ্কলস দিয়ে মাঝারি মাপের একটা সফট সার্ভ খুব আনন্দের সাথে নেব।”
মেয়েটির মুখটা এক মুহূর্তের জন্য কঠিন হয়ে গেল, তারপরই সে হাসিতে ফেটে পড়ল।
তারপর সে কোনের উপর এত বেশি ভ্যানিলার সফট সার্ভ পেঁচিয়ে দিতে লাগলো, যতটা সেই খদ্দের তাঁর জীবনে কখনও দেখেননি।
মেয়েটি হাসল, ভদ্রলোক হাসলেন, পুরো দোকানটাই হেসে উঠল।
অন্যান্য কঠিন মুখের খদ্দেররাও তাদের ভাবগাম্ভীর্য ধরে রাখতে পারল না। তাদের মুখ হাঁ হয়ে গেল।
“ওটা, ওটা, ওটা কী সাইজ?” ট্যাংক টপ পরা এক ট্যাটু করা স্বর্ণকেশী জিজ্ঞেস করলো।
“একটা মিডিয়াম,” মেয়েটি উত্তর দিল।
“আমার তো জ্যাকপট লেগে গেছে। এটাই আমার জীবনের সেরা আইসক্রিম কোন,” খদ্দের ঘোষণা করলেন।
মেয়েটি হেসে, সাবধানে আইসক্রিম কোনটা তার হাতে তুলে দিল।
“তুমি কি অভিনয় করো?” খদ্দের মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করলেন।
“হ্যাঁ, আমি করি,” সে আত্মবিশ্বাসী গলায়, খুব গর্বের সঙ্গে বলল।
জীবনের সবচেয়ে বড় আইসক্রিম কোনটি হাতে নিয়ে খদ্দেরটি সরাসরি তার কালো চোখের দিকে তাকালেন।
“ব্রাভো,” প্রথমবার জিভ ছোঁয়ানোর আগে তিনি বললেন।
পেম্বা উমোজার একটি গল্প