ঘোড়ার গাড়ির যাত্রা
রবিবার সকালে একটি অপ্রত্যাশিত মোড়
রবিবার সকালে ভদ্রলোক ঘোড়ার গাড়িতে উঠলেন।
"চার্চে নিয়ে যাও," তিনি বললেন।
গাড়িচালক ঘোড়া চালালো। কিন্তু চার্চের বদলে সে ভদ্রলোককে নদীর ধারে নিয়ে গেলো।
"এটা তো চার্চ নয়!" ভদ্রলোক বললেন।
"না," গাড়িচালক বললো। "কিন্তু এখানে ঈশ্বরকে আরও ভালো পাওয়া যায়।"
ভদ্রলোক নদীর দিকে তাকালেন। সূর্যের আলো পানিতে ঝলমল করছিল।
তিনি কিছু বললেন না। শুধু বসে রইলেন।
"একটি ভাড়া গাড়ি দেখছ?" স্ত্রী জিজ্ঞেস করল।
"হ্যাঁ, প্রিয়তমা।"
"রবিবার সকালে?"
"রবিবারেও গাড়ি চলে, প্রিয়তমা।"
একটি গাড়ি এলো।
"কোথায় যাবেন?" চালক জিজ্ঞেস করল।
"গির্জায়," লোকটি বলল।
"চার শিলিং," চালক বলল।
"চার শিলিং," লোকটি বলল। "রবিবারের জন্য এটা বেশি।"
"রবিবার হলো রবিবার, স্যার। আর ভাড়া হলো ভাড়া।"
লোকটি স্ত্রীর দিকে তাকাল। স্ত্রী তার দিকে তাকাল।
"লোকটিকে টাকা দাও," স্ত্রী বলল।
সে ধীরে ধীরে মানিব্যাগ বের করল, যেন প্রতিটি মুদ্রা তাকে কষ্ট দিচ্ছে।
চার শিলিং গুনে চালকের হাতে দিল।
"ধন্যবাদ, স্যার।"
তারা নীরবে গাড়িতে উঠল।
গাছ চলে গেল। মানুষ চলে গেল। গির্জা চলে গেল।
কেউ কথা বলল না।
অবশেষে গন্তব্যে পৌঁছাল।
লোকটি আগে নামল এবং স্ত্রীর জন্য হাত বাড়াল।
"ধন্যবাদ, প্রিয়তম," স্ত্রী বলল।
সে হাসল। "তোমার জন্য চার শিলিংও মূল্যবান।"
স্ত্রী হাসল।
আর তারা একসাথে দরজার দিকে হেঁটে গেল।
আর সেই রবিবারটা যথেষ্ট সুন্দরই হলো।
সত্যিই সুন্দর।
A story by Pemba Umoja