অ্যাপলম্যান

যত বেমানান জায়গায়

অ্যাপলম্যান — a story by Pemba Umoja

অ্যাপলম্যানের শখ ছিল আপেল খাওয়ার যত বেমানান জায়গায়।

লাইব্রেরিতে। গির্জায়। এমনকি অন্ত্যেষ্টিতেও।

একদিন, এক দোকানদার অ্যাপলম্যানকে তার দোকানে একটা আপেল খেয়ে দেখাতে বলল।

“তা খেতে আপত্তি নেই,” সে জবাব দিল।

<em>মচমচ, মচমচ।</em>

ওহ না। অ্যাপলম্যান গেল আদালতে।

সেখানে, বিচারক অ্যাপলম্যানকে তাঁর আদালতে একটা আপেল খেয়ে দেখাতে বললেন।

“তা খেতে আপত্তি নেই।”

<em>মচমচ, মচমচ।</em>

ওহ না। অ্যাপলম্যানের দু’বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হলো।

কারাগারের খাবারঘরে অনেক আপেল ছিল।

অ্যাপলম্যান রোজ সেগুলো খেত যত বেমানান জায়গায়।

একদিন, এক বন্দি অ্যাপলম্যানকে তার সামনে একটা আপেল খেয়ে দেখাতে বলল।

“তা খেতে আপত্তি নেই,” সে উত্তর দিল।

<em>মচমচ, মচমচ।</em>

ওহ না। বন্দিটি তাকে এমন ঘুষি মারল যে অ্যাপলম্যান গেল চিকিৎসাকক্ষে।

সেখানে নার্সদের কাছে প্রচুর আপেল ছিল।

একদিন, অ্যাপলম্যানের ঘরে থাকা অন্য রোগীটি তাকে আরেকটা আপেল খেয়ে দেখাতে বলল।

<em>মচমচ, মচমচ।</em>

ওহ না। রোগীটি অ্যাপলম্যানের জীবনরক্ষাকারী যন্ত্রের প্লাগ খুলে দিল যখন সে ঘুমাচ্ছিল।

সেই ছিল অ্যাপলম্যানের শেষ।

তারা অ্যাপলম্যানকে কবর দিল কারাগারের উঠোনে।

দুঃখের কথা, সে আর সেখানে আপেল খেতে পারত না।

<em>মচমচ, মচমচ,</em> করে উঠত মাটি যখন পথচারীরা পাশ দিয়ে হেঁটে যেত, তার কবরের পাশে আপেলের খাওয়া বোঁটা ছুড়ে ফেলে।

<em>মচমচ, মচমচ,</em> করে উঠল মাটি যখন ছোট ছোট আপেলগাছ প্রাণ নিয়ে মাথা তুলল আর বেড়ে উঠে এক বাগান হয়ে গেল।

“ওহ হ্যাঁ,” বলল সব বন্দি আর প্রহরী গাছ থেকে আপেল পেড়ে খেতে খেতে সারাদিন ধরে।

<em>মচমচ, মচমচ।</em>

A story by Pemba Umoja